Headline :
বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাকিব মিয়া মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নের প্রবাসী ও বসবাসরত ভোলাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় প্রিয় ভোলাবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ ভোলায় সাবেক ছাত্রদল সভাপতির চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শোক বার্তা: গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ গরিব-অসহায় মানুষের পাশে থাকায় আনোয়ার মাস্টারের পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে কাচিয়ায় যুবককে মারধরের অভিযোগ তজুমদ্দিনে অসুস্থ ইমামকে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি।

আল্লাহ যদি আমার কিছমতে সংসদ সদস্য লিখে রাখে, তাহলে কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ ॥ আন্দালিব রহমান পার্থ

Reporter Name / ১০৫ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

ভোলা-১ সদর আসনে বিএনপি দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ফ্যাসিষ্ট আমলে ভোলায় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর ত্যাগ রয়েছে। আজকে আমার দায়িত্ব সকলকে বুকে টেনে নিয়ে কাজ করার। বিএনপি-বিজেপি ভাই ভাই, ঐক্য ছাড়া কোন উপায় নেই। আমি যদি আপনাদের ভোটে এমপি নির্বাচিত হতে পারি তাহলে আপনারা নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন। আল্লাহ যদি আমার কিছমতে সংসদ সদস্য লিখে রাখে, তাহলে কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। ভোলার মানুষ আমাকে ভালোবাসে। শনিবার (২৪ জানুয়ারী) দুপুরে শহরের নতুন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। পথসভা এক পর্যায়ে জনসভায় পরিণত হয়।
তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ যারা নির্বাচন করছে তাদের প্রত্যেককে শান্তিতে, সুষ্ঠভাবে তাদের নির্বাচনী কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে। ভোলাতে যেন কোন মারামারি, পিটা-পিটি, হানা-হানি না হয়। আমি আমার প্রত্যেকটি কর্মীকে অনুরোধ করবো আপনারা আইশৃঙখলাকে হাতে নিবেন না। “ভোলা আমার বাপের বাড়ী, মার্কা আমার গরুর গাড়ী” বলে শ্লোগান দেন। ভোলা আমার মাটি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পুনরায় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে ভোলার মানুষের পাশে দাঁড়াবার জন্য। আর কোন মারামারির রাজনীতি না। ভোলার মাটি পার্থ ভাইয়ের ঘাটি নয়, ভোলার মাটি ভোলাবাসীর ঘাটি। সকল ভেদাভেদ ভুলে আসুন আমরা ভোলাটাকে গড়ি। তিনি বলেন, আমি না দলের; না মার্কার, পার্থ ভাই সবার। আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে একটা সুন্দর, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ ভোলা গড়তে চাই। যেখানে চাঁদাবাজী হবে না, লুট হবে না, টেন্ডারবাজী হবে না, শালিশের মাধ্যমে পয়সা খাওয়া হবে না।
তিনি আরো বলেন, আমি হয়তো ভোলাকে সিঙ্গাপুর বানাতে পারবো না, তবে ইনশাআল্লাহ আমার কোন আত্মীয়-স্বজন নেই যারা টেন্ডারবাজী করে। আমার আল্লাহ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। এইবার যদি সুযোগ পাই তাহলে ইনশাআল্লাহ মানুষের জন্য কাজ করে যাবো। সকল হিংসা, বিদ্যেষ ভুলে গিয়ে সবাইকে নিয়ে আমরা নতুন করে ভোলা গড়বো।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলে ভোলাবাসীর জন্য ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ আনতে পারবে ভোলা থেকে জাতীয় সংসদে পাঠানোর মত যোগ্য লোককে আপনারা বেছে নিবেন, যেই দলেরই হোক না কেন।
তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে বাবার মৃত্যুর পরে আমার জীবনটা যখন পাল বিহীন নৌকার মত ছিল, তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আশ্রয় দিয়েছিল, স্নেহ করেছিল এবং ভোলার দায়িত্ব দিয়েছিল। সেই সময় ভোলার বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মী এবং আমার বাবার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা ছিল তার ফলশ্রুতিতে আমি সংসদে গিয়েছিলাম। সেই সময়ে আমরা বিরোধী দল ছিলাম। আপনারা জানেন সেই সময় কারা ক্ষমতায় ছিল। ভোলার পরিবেশ কি ছিল। সেই সময়ে শেখ হাসিনার চোখে চোখ রেখে আমি কথা বলেছিলাম, তখন কেউ সাহস করতো না। বাংলাদেশের দরবেশের বিরুদ্ধে আমি কথা বলেছিলাম। লোটাস কামাল থেকে বিদ্যুতের যত চুরি হয়েছে তার বিরুদ্ধে আমি আপনাদের দোয়ায় কথা বলেছি এবং তার প্রতিবাদ করেছি।
আমি যে কত আনন্দিত, আমাকে আল্লাহ তায়ালা একটা সুযোগ করে দিয়েছেন আপনাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, আপনাদের সেবা করার জন্য। খেয়াঘাট থেকে দীর্ঘ পাথ পায়ে হেঁটে এখানে (ভোলা নতুন বাজারে) এসেছেন এ জন্য আপনাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। দীর্ঘদিন পর ভোলা আসতে পেরে তিনি শুকরিয়া আদায় করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category