ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষ বেছে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
আট বছরের মধ্যে প্রথম ব্রিটিশ নেতা হিসেবে বেইজিং সফরের প্রাক্কালে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে লন্ডনকে এই দুই দেশের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার বলেন, ব্রিটেন ব্যবসা, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘নিবিড় সম্পর্ক’ বজায় রাখবে, তবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনকে উপেক্ষা করা হবে কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজ।
আট বছরের মধ্যে প্রথম ব্রিটিশ নেতা হিসেবে বেইজিং সফরের প্রাক্কালে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে লন্ডনকে এই দুই দেশের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বাধ্য করা যাবে না। ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টারমার বলেন, ব্রিটেন ব্যবসা, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘নিবিড় সম্পর্ক’ বজায় রাখবে, তবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনকে উপেক্ষা করা হবে কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজ।
বেইজিং ও সাংহাই সফরের এই মিশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটেনের ডজনখানেক ব্যবসায়ী নেতা অংশ নিতে যাচ্ছেন। স্টারমার মনে করেন, চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর জন্য বিশাল সুযোগ বয়ে আনতে পারে। সম্প্রতি লন্ডনে চীনের একটি বিশাল ও বিতর্কিত দূতাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটেন, যা নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
বিরোধীদের আশঙ্কা, এই দূতাবাস গোয়েন্দা কার্যক্রমের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এই সমালোচনা সত্ত্বেও স্টারমার তার অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, মাথা বালিতে গুঁজে চীনকে এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
সাক্ষাৎকারে স্টারমার আরও উল্লেখ করেন, এর আগে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার চাপ থাকলেও তিনি তা করেননি। তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।