Headline :
ভোলায় ডাকাতির প্রস্তুতি কালে অস্ত্রসহ আটক তিন জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ দেশের সর্বনাশ করে গেছে স্পিকার মেজর হাফিজ আসন্ন ২ নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনচেয়ারম্যান পদে আলোচনায় দুই বিএনপি নেতা আসন্ন ভোলা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আসিফ আলতাফের মতবিনিময় সভা। তজুমদ্দিনে যুবলীগ সভাপতি গ্রেফতার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আন্দালিভ রহমান, এমপি মহোদয়ের ভোলা সফর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভোলা জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা

ভাণ্ডারিয়ার চেয়ারম্যান দম্পতির জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অগাধ সম্পদ, দুদকের মামলা

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল বৃহস্পতিবার পিরোজপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামি ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম (৪৮) তার মালিকানাধীন ইফতি ইটিসিএল (প্রা.) লিমিটেড, ইফতি এন্টারপ্রাইজ ও সাউথ বাংলা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের নামে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং দোকান ক্রয় বাবদ ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৭ টাকা স্থাবর এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, মূলধন ও কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ এবং ৯টি গাড়ি ক্রয় বাবদ ৫০ কোটি ৬১ লাখ ৬৩৬ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৩ টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় বাবদ ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৬ টাকাসহ মোট ১১৬ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৯ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব পায় দুদক। পক্ষান্তরে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস্য ১৭ কোটি ৭১ লাখ পাঁচ হাজার ৪৪৯ টাকা। তার অর্জিত ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ টাকা মূল্যের সম্পদ আড়াল করে রাখায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী আসামি শামীমা আক্তার তার মালিকানাধীন মেসার্স শিমু এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে অর্জিত ২৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৫১ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ভোগদখলে রেখে এবং এলজিইডির নিযুক্ত ঠিকাদার হিসেবে প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎপূর্বক বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে অসদুদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তর করেছেন; যা মানি লন্ডারিং আইনের ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের কারণে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া স্ত্রী শামীমা আক্তার তার শিমু এন্টারপ্রাইজের নামে ব্র্যাক ব্যাংকের হিসাব থেকে ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ৭০৮ টাকা স্থানান্তর ও হস্তান্তর করে মানি লন্ডারিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে দুদক এ মামলা করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা দুদকের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, মিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শামীমা আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।

উল্লেখ, এসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে এলজিইডি দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণপূর্বক কোনো কাজ না করেই প্রায় এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ অপরাধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ইতিমধ্যে আরো আটটি মামলা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category