ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপির দাবির প্রেক্ষিতে বিএনসিসি মোতায়েনে পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে স্থাপিত আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে প্রদত্ত পোস্টাল ভোট গণনা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষায় রিটার্নিং অফিসার নির্দেশনা অনুসারে সহযোগিতা প্রদানের নিমিত্ত বিএনসিসি মোতায়েনের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
এর আগে ইসি বিএনসিসির ক্যাডেটদের কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে বিএনপি তাদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলার দাবি জানিয়েছিল।
হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবেবরাত বলা হয়। এদিন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগিতে নিমগ্ন থাকেন।
ফারসি ‘শবেবরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। তবে হাদিসের পরিভাষায় এই রাত ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য-শাবানের রজনী হিসেবে পরিচিত।
এই রাতের ফজিলত সম্পর্কে মহানবীর একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর রহমত এই রাতে সৃষ্টির ওপর বর্ষিত হয়।
যথাযোগ্য ধর্মীয় আবেগ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে পালিত হয়েছে পবিত্র শবে বরাত। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই রজনী অতিবাহিত হয়।
বিশেষ মর্যাদার এই রাতে সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে মসজিদে ইবাদত, জিকির-আসকার, কুরআন তেলাওয়াত এবং নফল নামাজ আদায় করেছেন। একইসঙ্গে একে অপরের কল্যাণ ও মৃত পরিজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সারা দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ ওয়াজ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মুসল্লিরা রাতব্যাপী মহান আল্লাহর দরবারে নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সুন্দর ও শান্তিময় জীবনের প্রত্যাশা করেন।
মুসল্লিরা জানান, শবে বরাতের এই রাতটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত বরকতময়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে মহান আল্লাহতাআলা বান্দার ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং তাদের দোয়া কবুল করেন।
বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় বক্তারা উপস্থিত মুসল্লিদের প্রতি ইসলামের মহান আদর্শ অনুসরণ এবং ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।