Headline :
সুশীলন প্রকল্প অবহিতকরণসভা অনুষ্ঠিত। ভোলা জেলা পুলিশ লাইন্সে আধুনিকায়িত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মেসের শুভ উদ্বোধন ইলিশা লঞ্চঘাট পরিদর্শন করলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী; নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পাশে জেলা পুলিশ, ভোলা মাঝের চরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও গণসংযোগে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্পীকার মহোদয়ের ভোলা জেলা সফর সমাপ্ত অনেক ত্যাগের পর আজকের গণতান্ত্রিক অবস্থা ফিরে পেয়েছি: স্পিকার কৃষকবান্ধব বাজেটের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বাজেট প্রস্তাবনা সভা অনুষ্ঠিত হানিট্র্যাপ ও ব্ল্যাকমেইল, ইউএনও’র নির্দেশে মনপুরা ছাড়ছেন অভিযুক্ত নারী আসন্ন ২০২৬-২৭ বাজেট নিয়ে কৃষকের প্রত্যাশা ও সমস্যা বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্প।

কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি?

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠনের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে দলটি। নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে এখন আলোচনা এসেছে—কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।
এক্ষেত্রে দলীয়ভাবে আলোচনায় আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান। এর মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পদত্যাগ করতে পারেন—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা।

তবে গত ডিসেম্বরে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, সব কনস্যুলেট, দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতি, রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল। হঠাৎ এক রাতেই সেগুলো উধাও করে ফেলা হয়। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে, যে সম্ভবত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছি।

তবে নির্বাচন পর্যন্ত আছেন জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ‘নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। পরে দলের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানে দলীয় নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য। দলীয় সূত্র মতে, তিনি তুলনামূলকভাবে নীরব ও কম বিতর্কিত প্রোফাইলের নেতা হিসেবে পরিচিত।

নজরুল ইসলাম খান দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে দলের ভেতরে তাকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।

অন্যদিকে আব্দুল মঈন খানও একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্বে আছেন।

সব মিলিয়ে, এ তালিকা থেকেই একজনকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদের শপথের পরপরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category