Headline :
বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাকিব মিয়া মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নের প্রবাসী ও বসবাসরত ভোলাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় প্রিয় ভোলাবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ ভোলায় সাবেক ছাত্রদল সভাপতির চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শোক বার্তা: গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ গরিব-অসহায় মানুষের পাশে থাকায় আনোয়ার মাস্টারের পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে কাচিয়ায় যুবককে মারধরের অভিযোগ তজুমদ্দিনে অসুস্থ ইমামকে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি।

সাধ্যের মধ্যেই মিলছে বেশিরভাগ সবজি, ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি

Reporter Name / ৭১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

ভোলার কাঁচাবাজারগুলোতে পবিত্র মাহে রমজানের শুরুর দিকে লেবু ও সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও রমজানের মাঝামাঝিতে কমেছে সব ধরনের সবজির দাম। এতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। বিক্রেতারা বলছেন বাজারে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় কমেছে সব ধরনের সবজির দাম।
সরেজমিনে শহরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো সবজি প্রতি কেজিতে দাম নেমে এসেছে এক তৃতীয়াংশে, আবার কোনো সবজির দাম নেমে এসেছে অর্ধেকে। বেশিরভাগ সবজির দাম রয়েছে কেজিতে ১৪ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে আর করলা সর্বোচ্চ ৮০ এবং কাচামরিচ ১০০ টাকা কেজি। ভোলার বাজারগুলোতে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা, গোল ও লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ১৫ টাকা, সিম ২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫ টাকা, শসা ৩০ টাকা, গাজর ৩৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা বরবটি ৪৫ টাকা এবং প্রতিকেজি আলু ১৪ টাকা।
এছাড়া রমজানের প্রথম দিকে বাজারে হৈ-চৈ শুরু করা লেবু প্রতি হালি বিক্রি করা হচ্ছে ছোট ৩০, মাঝারি ৫০ আর বড় ৬০ টাকা। স্থিতিশীল রয়েছে গরু, খাসি, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। তবে মেঘনা তেতুলিয়া মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকায় কেজিতে ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে পুকুর ও ঘেরে চাষ করা মাছের দাম। স্থিতিশীল রয়েছে খেজুরের দাম।
ভোলা শহরের কাঁচাবাজারে সবজি কিনতে আসা মো. আকরাম, ইব্রাহিম, জুয়েল, লোকমান, গৃহিনী শাহানুর বেগম ও মমতাজ বলেন, সাধারণত রমজান মাসে সবজি বেশি পরিমাণে কেনা লাগে। রমজানের শুরুর দিকে টমেটোর দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, আজ কিনলাম ২৫ টাকা, অর্থাৎ অর্ধেক দামে। এছাড়া কাচামরিচ কিনেছি ২০০ টাকা কেজি আজ কিনেছি ১০০ টাকা। এছাড়া লেবুর দামও নেমে এসেছে অর্ধেক দামে। সব মিলিয়ে বলা যায় সব পণ্যের দামই আমাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। এতে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ক্রয় করতে পারছি। আমরা চাই নিয়মিত কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দাম আমাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা হোক।
বিক্রেতা মো. রেজাউল, ছলেমান ও মঞ্জুর আলম বলেন, বাজারে কোনো পণ্যের সংকট নেই, তাছাড়া আমাদের কাছে থাকা ৮০ ভাগ সবজি স্থানীয় কৃষকদের। ফলে দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। আমাদের যে দামে কেনা তার থেকে কিছু পরিমাণ টাকা লাভ হলেই বিক্রি করে দিচ্ছি। দাম কম থাকার কারণে বিক্রিও বেড়েছে।
এদিকে রমজান মাসকে ঘিরে সবজিসহ সব নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে স্থানীয় বাজারগুলোতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন ভোলা জেলা প্রশাসন। তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করার মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা নিতে পারবে না এমনটাই মনে করছেন ভোলার সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category