Headline :
ভোলায় ডাকাতির প্রস্তুতি কালে অস্ত্রসহ আটক তিন জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ দেশের সর্বনাশ করে গেছে স্পিকার মেজর হাফিজ আসন্ন ২ নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনচেয়ারম্যান পদে আলোচনায় দুই বিএনপি নেতা আসন্ন ভোলা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আসিফ আলতাফের মতবিনিময় সভা। তজুমদ্দিনে যুবলীগ সভাপতি গ্রেফতার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আন্দালিভ রহমান, এমপি মহোদয়ের ভোলা সফর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভোলা জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা

আইসিসির আসল চেহারা উন্মোচন করল উইজডেন

Reporter Name / ৬৯ Time View
Update : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। দেশটিতে খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত। আইসিসি ভারতের সব ম্যাচের ভেন্যু ঠিক করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভেন্যু নিয়ে জটিলতার পর অবশ্য একটা সমঝোতায় পৌঁছেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ ভারত-পাকিস্তান। যে কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে হচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। তাদের ম্যাচগুলো হবে শ্রীলংকার মাঠে।

ভারত-পাকিস্তানের টানাপড়নের মধ্যে নতুন করে নাম চলে আসে বাংলাদেশের। যার কারণটা অবশ্য আইপিএলকে ঘিরে। উগ্রবাদীদের হুমকিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

আইসিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে। ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নেয় ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না। ভেন্যু পরিবর্তন হলে শ্রীলংকায় খেলবে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ করে দেয়।

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন উইজডেনের ওয়েবসাইটে এই দুটি ঘটনা বর্ণনা করে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ন্যায্যতা আদৌ শর্তসাপেক্ষ কিনা—এখন সে প্রশ্ন উঠছে। ভারত তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য তিন মাস সময় পেয়েছিল; অন্যদিকে সূচি ও গ্রুপ ঘোষণার পর বাংলাদেশের হাতে ছিল মাত্র এক মাস। শুধু সময়ের ব্যবধানই কি আইসিসির ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ডকে’ ন্যায্যতা দিতে পারে?

তাদের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সংকট তৈরিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার ভূমিকা কি উপেক্ষা করা যায়? বিসিসিআই কখনোই মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে নিরাপত্তার কথা বলেনি। ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’—এই একটি কথাই ছিল ব্যাখ্যা।

প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ক্রিকেটের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশ তাদের খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় দাঁড়ালেও আত্মসম্মান ও নীতির প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্য হুমকির পথে গেছে। যার ফলে আইসিসির জন্য না বলাটা সহজ হয়েছে বলে মনে করে উইজডেন।

অন্যদিকে ভারত জানে, অর্থনৈতিক শক্তি ও সুপারস্টারদের কারণে তাদের ছাড়া আইসিসি টুর্নামেন্ট প্রায় অচল। তাই তারা পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে পেরেছে। লড়াইয়ের পাল্লা শুরু থেকেই ভারতের দিকেই ভারী ছিল, যা দেখিয়ে দেয় কীভাবে ক্ষমতা, বিশেষ করে অর্থনৈতিক শক্তি, সিদ্ধান্তকে নিজের পক্ষে বাঁকিয়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশের সেই সামর্থ্য ছিল না। ফলে এমন এক সিদ্ধান্তের খেসারত তাদের দিতে হয়েছে, যার কথা তারা তিন সপ্তাহ আগেও ভাবেনি। তারা টুর্নামেন্টে ছিল; এখন আর নেই। শুধু নিজেদের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণেই।

উইজডেনের এই বিশ্লেষণে একটা বিষয় স্পষ্ট, আইসিসি এখন নীতি-নৈতিকতা বা ন্যায্যতার মানদণ্ডকে একপাশে রেখে ভারত তোষণে ব্যস্ত। অর্থনৈতিক শক্তির বলে তারা আইসিসি এবং এর বেশিরভাগ সদস্য দেশকে দিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত পাশ করিয়ে নিতে পারে। এমন আগ্রাসী বা সর্বগ্রাসী আচরণের সামনে বাংলাদেশের মতো ‘ক্রিকেটপাগল’ দেশের পক্ষে রুখে দাঁড়ানোই একমাত্র সমাধান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category