বৈঠক শেষে হুমায়ন কবীর বলেন, ২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর আন্তর্জাতিক মহলেও তারেক রহমান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। আজকের বৈঠকের সূচিতে মোট ১১ জন রাষ্ট্রদূত তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এসব বৈঠক হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠন করলে বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা, আমাদের ৩১ দফার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করা হবে বলে আলোচনায় উঠে আসে।
চলমান অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু অগ্রগতি আছে, ধারাবাহিকতাও বজায় রাখার কথা জানান হুমায়ুন কবির। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইতিবাচক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে আর কেউ নির্দেশনা দিতে পারবে না। অন্য দেশের নির্দেশনায় বাংলাদেশের মানুষ চলে না। সেটা আর কখনো ফিরে আসবে না। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা ইস্যু ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচন বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে নাকি জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে ‘দে আর ভেরি মাচ এক্সাইটেড। ডেমোক্রেটিক ট্রান্জিশন হতে যাচ্ছে। তো এটা নিয়ে আর এক্সাইটেড।এনভায়রনমেন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের মানুষের মত তারাও নির্বাচন নিয়ে এক্সাইটেড।