Headline :
বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাকিব মিয়া মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নের প্রবাসী ও বসবাসরত ভোলাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় প্রিয় ভোলাবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ ভোলায় সাবেক ছাত্রদল সভাপতির চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শোক বার্তা: গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ গরিব-অসহায় মানুষের পাশে থাকায় আনোয়ার মাস্টারের পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে কাচিয়ায় যুবককে মারধরের অভিযোগ তজুমদ্দিনে অসুস্থ ইমামকে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি।

গ্রিনল্যান্ডে ‘গোল্ডেন ডোম’ চালুর প্রস্তাব ট্রাম্পের

Reporter Name / ৬০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেবার পর ইউরোপের আটটি দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি দেন। এমনকি সামরিক শক্তি প্রয়োগের কথাও বলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সেই পরিকল্পনা বাতিল করে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, একটি চুক্তির রূপরেখা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যেটি বাস্তবায়িত হলে গ্রিনল্যান্ডে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকারের দুই আকাঙ্ক্ষাই পূরণ হবে। যদিও চুক্তিটির বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডেও একটি গোল্ডেন ডোম থাকা জরুরি। এটি স্থাপনের জন্যই ভূখণ্ডটির নিয়ন্ত্রণে নেওয়া দরকার। গ্রিনল্যান্ডকে একপাশে রেখে ট্রাম্প হঠাৎ গোল্ডেন ডোমের ওপর জোর দিচ্ছেন কেন?

গোল্ডেন ডোম কি?

গোল্ডেন ডোম সিস্টেমটি দখলদার ইসরাইলের আয়রন ডোম দ্বারা অনুপ্রাণিত, যা ২০১১ সাল থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট থেকে স্থলভিত্তিক সুরক্ষা দিয়ে আসছে।

ধারণা করা হচ্ছে, গোল্ডেন ডোমের স্থল ও মহাকাশ উভয় ক্ষেত্রেই সক্ষমতা থাকবে। এটি সম্ভাব্য হামলার চারটি প্রধান ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিহত করতে পারবে।
অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের (এএসপিআই) প্রতিরক্ষা সক্ষমতাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ম্যালকম ডেভিস বলছেন, গোল্ডেন ডোম এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যে, এটিতে কোনো ফাঁক রাখা হয়নি। কোনো ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্দিষ্ট সুরক্ষা বলয় অতিক্রম করতে পারবে না।

ম্যালকম আরও বলেন, সমরশক্তিতে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে। সেগুলো প্রতিহতে গোল্ডেন ডোমকে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যদিও পুরোপুরি ফাঁকহীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে অন্তত পরমাণু ওয়ারহেড পৌঁছানোর সম্ভাবনা কমাতে পারে।

কিন্তু কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন যে, এটি নির্মাণে চড়া মূল্যে এবং প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য এটি অবাস্তব। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের টড হ্যারিসন অনুমান করে বলেন, এটি তৈরিতে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ও ২০ বছর সময় লাগতে পারে। পরিপূর্ণ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য খরচ দাঁড়াতে পারে ৩.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি এই কর্মসূচির জন্য ১৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছেন। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ব্যবস্থাটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের জুনে সেন্টার ফর আর্মস কন্ট্রোল অ্যান্ড নন-প্রলিফারেশনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কার্যক্রমটি এখনো ধারণাগত পর্যায়ে রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেস গবেষণা এবং কাঠামোগত উন্নয়ন ট্র্যাকের জন্য তহবিল বরাদ্দ শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category