নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিনই চমক দেখালেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঘড়ির কাটায় তখন রাত পৌনে ৪টা, সিলেট, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব ও নরসিংদীর পথসভা শেষ করে নারায়ণগঞ্জে আসেন তারেক রহমানকে বহনকরা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা গাড়িটি।
এদিকে রাত ৮টার আগ থেকেই আড়াইহাজারের পাঁচরক্ষী বেগম আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জমায়েত হতে থাকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় ভোটাররা।
সারারাত জেগে অপেক্ষায় থাকেন নেতাকর্মীরা। ভোর পৌনে ৪টায় যখন তারেক রহমানের গাড়িটি সমাবেশ স্থলে থামে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যানার, ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড ও জাতীয় পতাকা দিয়ে স্বাগত জানান তারেক রহমানকে।
এ যেন আড়াইহাজারের মানুষের কাছে এক অন্যরকম রাত। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও স্থানীয় নারী-পুরুষ সারারাত জেগে অপেক্ষা করলেও যেন কোনো ক্লান্তির ছাপ নেই তাদের মধ্যে। দীর্ঘ ২২ বছর পর তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য সবাই ছিলেন আবেগে আপ্লুত। মুর্হুমুহু স্লোগান আর স্লোগান প্রবালিতে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো সমাবেশস্থল।
জনসভা মঞ্চে উঠেই তারেক রহমান হাত নেড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান নির্ধারিত সময়ে না আসতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করে স্থানীয় জনতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
তিনি বলেন, সিলেট থেকে আসার পথে রাস্তায় বিভিন্ন পয়েন্টে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলে আসতে সময় লেগেছে। রাত ৮টায় আসার কথা থাকলেও আসতে দেরি হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জের জনগণকে ভোর ৪টা পর্যন্ত জেগে থাকায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের দিন কেন্দ্র খোলার সঙ্গে সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে হবে। এ সময় উপস্থিত জনতা হাত তুলে প্রতিশ্রুতি দেন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার।