Headline :
বাবা-ছেলের ভালোবাসা ও অ্যাডভোকেট ইউসুফ সাহেবের প্রতি ভালোবাসা ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাকিব মিয়া মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নের প্রবাসী ও বসবাসরত ভোলাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় প্রিয় ভোলাবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ ভোলায় সাবেক ছাত্রদল সভাপতির চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শোক বার্তা: গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ গরিব-অসহায় মানুষের পাশে থাকায় আনোয়ার মাস্টারের পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে কাচিয়ায় যুবককে মারধরের অভিযোগ তজুমদ্দিনে অসুস্থ ইমামকে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি।

‘সড়কে চাঁদা’ নিয়ে পরিবহণ মন্ত্রীর বক্তব্যে যা বললেন তাসনিম জারা

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সড়কে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবির দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী যাকে সমঝোতা বলছেন, বাস্তবে তা চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি অবৈধ পদ্ধতি।
(১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা বলেন, নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে গেলে চালকদের বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট সংগঠন বা গোষ্ঠীকে টাকা দিতে হয়। একেই যদি সমঝোতা বলা হয়, তাহলে একটি অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি লিখেন, সড়কের চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী। ওনার এই বক্তব্য নিয়ে আমার কিছু মন্তব্য ও প্রশ্ন রয়েছে। মন্ত্রী যেটিকে ‘সমঝোতা’ বলছেন, তা বাস্তবে চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি পদ্ধতি। কোনো চালক যখন নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে যান, তখন তাকে নির্দিষ্ট সংস্থাকে টাকা দিতেই হয়। একে সমঝোতার মোড়ক দেওয়া মানে হলো একটি অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া। এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে। বাসভাড়া বৃদ্ধির অন্যতম কারণ সড়কের এই অলিখিত চাঁদা। পণ্যবাহী ট্রাক থেকে এভাবে টাকা আদায়ের ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এই অর্থ পরিশোধ করেন সাধারণ যাত্রী ও ভোক্তাই।

সাবেক এই এনসিপি নেত্রীর মন্তব্য, মন্ত্রী নিজেই বলেছেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে।’ তাহলে কি আমরা ধরে নেব, এই অর্থ আদায় প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার একটি মাধ্যম? যদি তা না হয়, তাহলে এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

তাসনিম জারা বলেন, রাস্তায় টাকা তোলা বন্ধ করুন। যদি মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলে অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা আনুষ্ঠানিক ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে আদায় করা হোক। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফি-র সাথে যুক্ত করে এই অর্থ সংগ্রহ করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যে কোটি কোটি টাকা তোলা হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ অডিট নিশ্চিত করুন। প্রকাশ করুন এই অর্থ আসলে কার কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে? সাধারণ চালক-শ্রমিকের জন্য, নাকি কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির পকেটে? এই অর্থ শেষ পর্যন্ত আসে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই। এটি চালক বা মালিকের ব্যক্তিগত অর্থ নয়। এটি যাত্রী ও ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া ব্যায়। সরকারের দায়িত্ব সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। আপনারা অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমাদের হতাশ করবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category